সেদিন আওয়াজ শুনে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখি একটি রাজনৈতিক দলের মিছিল হচ্ছে। তাদের শ্লোগান ছিল, লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই। শ্লোগানের লড়াইয়ের উদ্দেশ্য ছিল অপর একটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে। শ্লোগানটি শুনে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। একাত্তরে আমরা (বাংলাদেশীরা) অনের রক্ত ও জীবনের বিনিময়ে স্বাধীন করেছিলাম এ দেশকে একটি স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ দেশ হিসাবে দেখবো বলে। যেখানে থাকবেনা মারামারি, কাটাকাটি, হানাহানি। যেখনে রক্ষা করা হবে জনগণের পূর্ণ অধিকার। আমরা ভায়ে ভায়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গড়ে তুলবো সোনার বাংলাদেশ। এজন্য তো স্বাধীন করা হয়নি যে, একজন আরেকজনকে তুচ্ছ ভেবে তার রক্ত নিয়ে হোলি খেলবে। জনগনের আগে ক্ষমতাসীনদের অধিকারকে বড় করে দেখা হবে। জনগনের অধিকার হবে গৌন বিষয়। এ লড়াইয়ে যারা আহত হয় বা হয় নিহত তাদের স্বজনদের চোখের পানি ঝরে। যারা লড়াই করে এ লড়াইয়ে না হয় তাদের কোন লাভ বা জনগনের লাভ। কিন্তু যারা পর্দার অন্তরালে বসে তাদেরকে পরিচালনা করে তাদের অনেক লাভ হয়। আমি কোন রাজনৈতিক দল করিনা। কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থনও করিনা কারণ, একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মাঝে যেসব গুণাবলী থাকা দরকার সেসব গুণাবলী বর্তমানে বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের মাঝে খুঁজে পাইনা। তবে রাজনীতির জন্য এমন একটি রাজনৈতেক দলের আশায় আছি যারা তাদের প্রতিটি কদম রাখার পূর্বে কদম রাখাটা ন্যায়সঙ্গত হচ্ছে কি-না তা ভেবে দেখবে। পাবো কি দেখা কখনো সেই রাজনৈতিক দলের দেখা?
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১০
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১০
কি লিখবো?
কি লিখবো? এই কথাটিই প্রচুর লিখেছি, একবার বা দুইবার নয়, অনেকবার। শুধু “কি লিখব” এ বিষয়টিই খুঁজে না পাওয়ার কারণে। ডায়রীর পাতা খুঁজলে এখনো অনেক পাতায় এই শব্দটি পাওয়া যাবে। অনেকেই লেখেন, লিখতেই থাকেন সুন্দর বর্ণণাভঙ্গি সহকারে। আমি কেন পারিনা? জানিনা কবে পারবো। তবে পারতে আমাকে হবেই। আজ না হয় কাল হবে, কাল না হয় পরশু হবে। এত হতাশ হচ্ছি কেন? সবাই কি আমার মত এমনভাবে হতাশ হয়। এই হতাশাগ্রস্থতা দূর করার জন্যই কত লেখক, কত কবি যুগে যুগে লেখে গেছেন কত কবিতা। তারই একটি অংশ হিসাবে এখনও আছে কালীপ্রসন্ন ঘোষের “পারিব না” কবিতাটি।
এখনো মনে পড়ে সেই কবিতাটি, প্রেরণা যোগায়, উজ্জীবিত করে।
পারিব না এ কথাটি বলিও না আর
কেন পারিবে না তাহা ভাব একবার,
পাঁচজনে পারে যাহা,
তুমিও পারিবে তাহা,
পার কি না পার কর যতন আবার।
আরো না জানা উজ্জীবিতমূলক কত কিছুই না আছে। যা আমার সামান্য জ্ঞানের সীমানায় এখনো ধরা দেয়নি। আমি যে লিখতে পারিনা। এ কথাটি লিখতে গিয়েই অবশেষে একটি লেখা হয়ে গেল। এই সাইটটি আমার নিজের জন্য। অন্য কারো জন্য আমি এই সাইটে লিখিনা। তারপরও কেউ যদি এসে সামান্য কিছু পড়ে তাহলে সমস্যা কি। তাই সাইটটি উন্মুক্ত।
এখনো মনে পড়ে সেই কবিতাটি, প্রেরণা যোগায়, উজ্জীবিত করে।
পারিব না এ কথাটি বলিও না আর
কেন পারিবে না তাহা ভাব একবার,
পাঁচজনে পারে যাহা,
তুমিও পারিবে তাহা,
পার কি না পার কর যতন আবার।
আরো না জানা উজ্জীবিতমূলক কত কিছুই না আছে। যা আমার সামান্য জ্ঞানের সীমানায় এখনো ধরা দেয়নি। আমি যে লিখতে পারিনা। এ কথাটি লিখতে গিয়েই অবশেষে একটি লেখা হয়ে গেল। এই সাইটটি আমার নিজের জন্য। অন্য কারো জন্য আমি এই সাইটে লিখিনা। তারপরও কেউ যদি এসে সামান্য কিছু পড়ে তাহলে সমস্যা কি। তাই সাইটটি উন্মুক্ত।
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০০৯
ব্লগার
সফল ব্লগার হতে হলে আমাকে সর্বপ্রথম লেখার হাত মজবুত করতে হবে। আর এর জন্য প্রয়োজন নিয়মিত কিছু লেখা। ভাল হোক বা মন্দ হোক লিখতে হবে। কেউ সে লেখা পাঠ করুক বা না করুক। লিখতে লিখতে যখন লেখার হাত মজবুত হবে। তখন কিছুটা পরিশ্রম করলে লেখার মান আরো সুন্দর হবে। একবারেই তো আর সবকিছু হয়না। ধীরে ধীরে হয়। আমি তো প্রথমে কিছুই লিখতে পারতাম না। কোথা থেকে লেখা শুরু করবো আর কোথায় শেষ করবো কিছুই বুঝে উঠতে পারতাম না।
কিন্তু একজন সুসাহিত্যিক বলেছেন: প্রথমত তোমার মনে যা আসে তাই লেখ। আর কোন কিছুই যদি মনে না আসে তাহলে তুমি যে লেখার জন্য বসেছ কিন্তু কিছুই লিখতে পারছো না। এ কথাটিই লেখো, দেখবে ধীরে ধীরে তোমার মধ্যে লেখার ভাব সৃষ্টি হচ্ছে। তবে তোমাকে নিয়মিত লিখতে হবে এবং তোমার লেখার পরিচর্যা করতে হবে। তাহলেই তুমি সফল লেখকরুপে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।
তারপর থেকে আমি লিখতে শুরু করলাম। এখন আল্পকিছু হলেও তো লিখতে পারি। তাই যারা আমার মতো কিছুই লিখতে পারেন না। কিন্তু লিখতে চান, তারা দেরী না করে এখনই লিখতে শুরু করুন। আমার মতো করেই শুরু করুন, দেখবেন কিছুক্ষনের মধ্যেই অনেক লিখে ফেলেছেন। এরপর আপনার ব্লগে লেখাটি পোষ্ট করুন।
আর সফল ব্লগার হতে হলে তো অনেক কিছুর প্রতি খেয়াল রাখতে হয়, এবং নির্দিষ্ট বিষয়বস্তুর উপর লিখতে হয়। এবং সেই বিষয়ে প্রচুর জ্ঞান থাকতে হয়। আগে এলোমেলো বিষয়বস্তুর উপর লেখালেখি করে লেখার হাতটা মজবুত করে নিই। আর সাথে সাথে সফল ব্লগার হতে হলে আরো যেসব বিষয় সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করতে হয় সেগুলো আয়ত্ত করতে থাকি। ইনশাআল্লাহ সফলতা একদিন পদচুম্বন করবেই।
কিন্তু একজন সুসাহিত্যিক বলেছেন: প্রথমত তোমার মনে যা আসে তাই লেখ। আর কোন কিছুই যদি মনে না আসে তাহলে তুমি যে লেখার জন্য বসেছ কিন্তু কিছুই লিখতে পারছো না। এ কথাটিই লেখো, দেখবে ধীরে ধীরে তোমার মধ্যে লেখার ভাব সৃষ্টি হচ্ছে। তবে তোমাকে নিয়মিত লিখতে হবে এবং তোমার লেখার পরিচর্যা করতে হবে। তাহলেই তুমি সফল লেখকরুপে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।
তারপর থেকে আমি লিখতে শুরু করলাম। এখন আল্পকিছু হলেও তো লিখতে পারি। তাই যারা আমার মতো কিছুই লিখতে পারেন না। কিন্তু লিখতে চান, তারা দেরী না করে এখনই লিখতে শুরু করুন। আমার মতো করেই শুরু করুন, দেখবেন কিছুক্ষনের মধ্যেই অনেক লিখে ফেলেছেন। এরপর আপনার ব্লগে লেখাটি পোষ্ট করুন।
আর সফল ব্লগার হতে হলে তো অনেক কিছুর প্রতি খেয়াল রাখতে হয়, এবং নির্দিষ্ট বিষয়বস্তুর উপর লিখতে হয়। এবং সেই বিষয়ে প্রচুর জ্ঞান থাকতে হয়। আগে এলোমেলো বিষয়বস্তুর উপর লেখালেখি করে লেখার হাতটা মজবুত করে নিই। আর সাথে সাথে সফল ব্লগার হতে হলে আরো যেসব বিষয় সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করতে হয় সেগুলো আয়ত্ত করতে থাকি। ইনশাআল্লাহ সফলতা একদিন পদচুম্বন করবেই।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)